নাটোরের লালপুর উপজেলার সালামপুর বাজারে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে মেসার্স মিজান স্টোর নামে একটি গোডাউন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে গোডাউনে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল সহ ১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন গোডাউনের মালিক।
শনিবার রাত ৮টার দিকে সালামপুর বাজারে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
গোডাউনের মালিক মো. মিজান জানান, তাঁর দোকানে ১০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের মালামাল ছিল। আগুনে ৯ ব্যারেল সয়াবিন তেল, ১ ব্যারেল সরিষার তেল, প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বোতলজাত সয়াবিন তেল, ৩০ রোল পলিথিন, ২ বস্তা জিরাসহ গোডাউনের প্রায় সব মালামাল পুড়ে গেছে।
তিনি বলেন, “গোডাউনে থাকা প্রায় সব মালামাল আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। এতে আমার ১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুনের খবর পেয়ে তারা দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে ফোন করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের দ্রুত তৎপরতায় আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়েনি।
গোডাউন মালিকের ছোট ভাইও জানান, দোকানে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল ছিল। আগুনে সেগুলোর প্রায় সবই পুড়ে গেছে।
প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার রাত ৮টার দিকে সালামপুর বাজারে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
গোডাউনের মালিক মো. মিজান জানান, তাঁর দোকানে ১০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের মালামাল ছিল। আগুনে ৯ ব্যারেল সয়াবিন তেল, ১ ব্যারেল সরিষার তেল, প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বোতলজাত সয়াবিন তেল, ৩০ রোল পলিথিন, ২ বস্তা জিরাসহ গোডাউনের প্রায় সব মালামাল পুড়ে গেছে।
তিনি বলেন, “গোডাউনে থাকা প্রায় সব মালামাল আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। এতে আমার ১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুনের খবর পেয়ে তারা দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে ফোন করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের দ্রুত তৎপরতায় আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়েনি।
গোডাউন মালিকের ছোট ভাইও জানান, দোকানে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল ছিল। আগুনে সেগুলোর প্রায় সবই পুড়ে গেছে।
প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নাহিদ হোসেন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি